[দ্রষ্টব্য: প্রার্থীদিগকে যে কোনো দশটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান সমান। বাংলা অথবা ইংরেজী যে কোনো একটি ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সকল প্রশ্নের মান সমাান।]
Answer ক। ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা সাতটি খাত ও অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা দলিল চূড়ান্ত হওয়ার পর ২২জুন ২০১১ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (Executive Committee of National Economic Council (ECNEC) বৈঠকে তা অনুমোদিত হয়।
লক্ষ্যমাত্রাঃ
আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য হ্রাস
মানব সম্পদ উন্নয়ন
নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিস্কাশন
জ্বালানি ও অবকাঠামো
নারী-পুরুষের সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন
পরিবেশের ভারসাম্য
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
খ। জাতীয় প্রতীক বাংলাদেশ এর জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয় ১৯৭১ সালে, স্বাধীনতার অব্যবহিত
পরে। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা
ফুল যা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। শাপলা ফুলটিকে বেষ্টন করে আছে ধানের দুটি
শীষ। চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে
দুটি করে মোট চারটি তারকা। চারটি তারকা চিহ্ন দ্বারা বাংলাদেশের সংবিধানের
চারটি মূলনীতিকে নির্দেশ করা হয়েছে। পানি, ধান ও পাট প্রতীকে
বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের
উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির
প্রতীক। তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা। গ। লালন শাহ্ লালন (জন্ম ১৭৭৪- মৃত্যু অক্টোবর ১৭, ১৮৯০) বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন মানুষ। যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত।তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক। তিনি অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। লালনকে বাউল গানের অগ্রদূতদের অন্যতম একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।তার গানের মাধ্যমেই ঊনিশ শতকে বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তাকে ‘বাউল সম্রাট’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। লালন ছিলেন একজন মানবতাবাদী। যিনি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রসহ সকল প্রকার জাতিগত বিভেদ থেকে সরে এসে মানবতাকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছিলেন। অসাম্প্রদায়িক এই মনোভাব থেকেই তিনি তার গান রচনা করেছেন।তার গান ও দর্শন যুগে যুগে প্রভাবিত করেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুলের মত বহু খ্যাতনামা কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবিসহ অসংখ্য মানুষকে। তার গানগুলো মূলত বাউল গান হলেও বাউল সম্প্রদায় ছাড়াও যুগে যুগে বহু সঙ্গীতশিল্পীর কন্ঠে লালনের এই গানসমূহ উচ্চারিত হয়েছে।গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম, তাকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দেয়া হয়েছিল।লালনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গানঃ সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে জাত গেলো জাত গেলো বলে খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়
আপন ঘরের খবর লে না আমারে কি রাখবেন গুরু চরণদাসী মন তুই করলি একি ইতরপনা এই মানুষে সেই মানুষ আছে যেখানে সাঁইর বারামখানা বাড়ির কাছে আরশিনগর ১৮৯০ সালের ১৭ই অক্টোবর লালন ১১৬ বছর বয়সে কুষ্টিয়ার কুমারখালির ছেউড়িয়াতে নিজ আখড়ায় মৃত্যুবরণ করেন। ফরিদা পারভিন উপমহাদেশের সেরা লালন সঙ্গীত শিল্পীদের একজন। আনুশেহ আনাদিল, অরূপ রাহী, ক্লোজআপ ওয়ান তারকা মশিউর রহমান রিংকু জনপ্রিয় লালন সঙ্গীত শিল্পী। লালনের মাজারে অসংখ্য বাউল শিল্পী একতারা বাজিয়ে লালন গানের চর্চা করে থাকেন।
অরূপ রাহীর কণ্ঠে