Answer উত্তরঃ বসন্তরঞ্জন রায় বিস্তারিতঃ বসন্তরঞ্জন রায় (জন্ম: ১৮৬৫ - মৃত্যু: ৯ নভেম্বর ১৯৫২) একজন বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ, ভাষাতাত্ত্বিক এবং গবেষক ।বসন্তরঞ্জন রায় বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । তাঁর বাবার নাম রামনারায়ন রায় । তিনি পুরুলিয়া জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন ।তিনি বহু গ্রামে পুঁথির সন্ধান করে সারা জীবনে প্রায় ৮০০ পুঁথি সংগ্রহ করেছিলেন এবং সেগুলি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদকে দান করেছিলেন । তিনি বিষ্ণুপুরের কাছে কাঁকিল্যা গ্রামে ১৩১৬ বঙ্গাব্দে বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুঁথি আবিষ্কার করেন । এটি ছিল তাঁর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি। তিনি নবদ্বীপের চতুষ্পাঠী থেকে বিদ্বদ্বল্লভ উপাধি পেয়েছিলেন ।
সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি। আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে, আমি যেন সেই কাজ করি ভাল মনে। ভাইবোন সকলেরে যেন ভালবাসি, এক সাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশি। ভাল ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা, পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা। সুখী যেন নাহি হই আর কারো দুখে, মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে। সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি, কিছুতে কাহারে যেন নাহি দেই ফাঁকি। ঝগড়া না করি যেন কভু কারো সনে সকালে উঠিয়া এই বলি মনে মনে।
Answer উত্তরঃ বুদ্ধদেব বসু রবীন্দ্র পরবর্তী যুগের (ত্রিশের দশকের) ৫ জন প্রধান কবি যারা বাংলা ভাষার আধুনিক কবিতার সুচনা করেছিলেন এদের একত্রে পঞ্চপাণ্ডব বলা হয়; তাঁরা হলেন- ১। বুদ্ধদেব বসু ২। বিষ্ণু দে ৩। জীবনানন্দ দাশ, ৪। অমিয় চক্রবর্তী ও ৫। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত